জানুন শীতে কোন Anti-Dandruff Shampoo বেছে নেবেন
October 29, 2026
October 29, 2026
শীত এলেই অনেকের মনে একটা চিন্তা কাজ করে, এবার মাথায় খুশকি বাড়বে. অনেকেই ধরে নেন, শীত মানেই খুশকি। কথাটা পুরোপুরি ভুল নয়। শুষ্ক আবহাওয়া, গরম পানিতে চুল ধোয়া আর স্ক্যাল্পের আর্দ্রতা কমে যাওয়ার কারণে শীতে অনেকের মাথার ত্বকে সাদা ফ্লেক বেশি দেখা যায়। তবে শীত এলেই খুশকি বাড়বে, এমন কোনো নিয়ম নেই। আবার যা দেখা যাচ্ছে, তা সবসময় খুশকিও নয়। চলুন, বিষয়টা পরিষ্কার করে জেনে নিই।
১. Malassezia ইস্টের প্রভাব: আমাদের মাথার ত্বকে স্বাভাবিকভাবেই Malassezia নামের একধরনের ইস্ট বা ছত্রাক থাকে, যা সাধারণ অবস্থায় কোনো ক্ষতি করে না। তবে কারও কারও ত্বক এই ইস্টের প্রতি অতি-সংবেদনশীল হলে স্ক্যাল্পে প্রদাহ দেখা দেয়। ফলে ত্বকের মৃত কোষ স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত ঝরে পড়ে সাদা বা হলদেটে ফ্লেক হিসেবে জমা হতে থাকে।
২. অতিরিক্ত তৈলাক্ত স্ক্যাল্প: মাথার ত্বকের সেবাসিয়াস গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত তেল স্ক্যাল্পকে সুরক্ষা দেয়। কিন্তু স্ক্যাল্প অতিরিক্ত তৈলাক্ত হলে Malassezia ইস্ট খুব দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে। এর ফলে ফ্লেকিং বাড়ে এবং খুশকি বড়, তেলতেলে ও হলদেটে আকার ধারণ করে।
৩. স্ক্যাল্প অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যাওয়া: শুধু তৈলাক্ত স্ক্যাল্প নয়, ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হলেও ফ্লেক দেখা দেয়। বিশেষ করে শীতকালের শুষ্ক আবহাওয়া, গরম পানিতে চুল ধোয়া কিংবা কড়া ক্লেনজিং শ্যাম্পু ব্যবহারের কারণে স্ক্যাল্পের আর্দ্রতা কমে যায়। তবে শুষ্ক স্ক্যাল্পের সাধারণ ফ্লেক আর প্রকৃত ফাঙ্গাল খুশকি এক নয়।
৪. অতিরিক্ত শ্যাম্পু করার প্রবণতা: অনেকে মনে করেন বারবার শ্যাম্পু করলে খুশকি দ্রুত দূর হবে। কিন্তু অতিরিক্ত বা অনুপযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা ও ন্যাচারাল অয়েল নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে স্ক্যাল্পে চুলকানি, টানটান ভাব ও ফ্লেকিং আরও বেড়ে যেতে পারে।
৫. হেয়ার কেয়ার পণ্যে সংবেদনশীলতা : শ্যাম্পু, কন্ডিশনার, হেয়ার জেল বা কালারে থাকা সুগন্ধি ও রাসায়নিক উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে মাথার ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, জ্বালাপোড়া করা ও খোসা ওঠার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। একে Contact Dermatitis বলা হয়, যা দেখতে অবিকল খুশকির মতো।
৬. খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টির প্রভাব: জিংক, বি-ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে শুধু পুষ্টির ঘাটতির কারণেই খুশকি হয়, এমন ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শুধু খুশকির জন্য আলাদা সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার প্রয়োজন নেই।
শ্যাম্পুর নাম |
কার জন্য উপযোগী |
কেন ভালো |
| Nizoral 2% | জেদি বা বারবার ফিরে আসা খুশকি এবং Seborrheic Dermatitis-এর ক্ষেত্রে। | কেটোকোনাজল একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-ফাঙ্গাল যা খুশকির মূল কারণ ম্যালাসেসিয়া ছত্রাক ধ্বংস করে এবং তীব্র চুলকানি দূর করে। |
| Select Plus 1.9% Catoconazole Shampoo | ফাঙ্গাস-সম্পর্কিত খুশকির জন্য সাশ্রয়ী কেটোকোনাজল-ভিত্তিক বিকল্প। | কম খরচে নিজোরালের মতোই ২% কেটোকোনাজল সরবরাহ করে যা ফাঙ্গাল ইনফেকশন রোধ করে খুশকি আবার হতে দেয় না। |
| Selsun Blue PRO X Extra Strength Anti Dandruff Shampoo | অতিরিক্ত খুশকি, ত্বকের তেলতেলে ভাব ও চুলকানির সমস্যায়। | স্ক্যাল্পের মৃত কোষ ঝরে পড়ার গতি কমায়, তেল (Sebum) নিয়ন্ত্রণ করে এবং জিদ্দি ফাঙ্গাস বৃদ্ধি থামায়। |
| Head & Shoulders Smooth & Silky Anti Dandruff Shampoo | মাঝারি থেকে তীব্র খুশকি ও একজিমা/ডার্মাটাইটিসজনিত চামড়া ওঠার সমস্যায়। | সাধারণ অ্যান্টি-ড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পুতে যা কমে না, তার চেয়ে বেশি কাজ করে; প্রথম ব্যবহারেই তীব্র চুলকানি ও ফ্লেক নিয়ন্ত্রণ করে। |
| Head & Shoulders Smooth & Silky | সাধারণ খুশকি দূর করার পাশাপাশি চুলে আর্দ্রতা বজায় রাখতে। | খুশকি তাড়ানোর পাশাপাশি চুলে গভীর ময়েশ্চার প্রদান করে, ফলে অতিরিক্ত শুষ্কতা দূর হয়ে চুল নরম ও মসৃণ থাকে। |
| CLEAR Anti-Dandruff Shampoo | দৈনন্দিন স্ক্যাল্প কেয়ার ও সাধারণ খুশকি প্রতিরোধের জন্য। | স্ক্যাল্পের প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তর মজবুত করে, অতিরিক্ত তেল-ময়লা দূর করে এবং স্ক্যাল্পে ফ্রেশ অনুভূতি দেয়। |
| Sebamed Anti-Dandruff Shampoo | সংবেদনশীল ও শুষ্ক ত্বকের জন্য মৃদু ও pH ৫.৫ সমৃদ্ধ ফর্মুলা। | ক্ষার ও সাবানমুক্ত; pH ৫.৫ স্ক্যাল্পের স্বাভাবিক সুরক্ষাবলয় বজায় রাখে এবং পিরোকটোন ওলামাইন মৃদুভাবে খুশকি দূর করে। |
| Bioderma Nodé DS+ | ক্রনিক, পুরু চামড়া জমা বা অতিরিক্ত ফ্লেকের চিকিৎসায়। | স্যালিসিলিক অ্যাসিড জমে থাকা শক্ত খুশকি নরম করে তুলে ফেলে এবং চুলকানি ও পলি জমে থাকা রোধ করে। |
| The Body Shop Ginger | প্রাকৃতিক ও কেমিক্যালমুক্ত স্ক্যাল্প কেয়ার পছন্দকারীদের জন্য। | আদার রস ও বোটানিক্যাল নির্যাস স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, শুষ্কতা কমায় এবং প্রাকৃতিকভাবে খুশকি নিয়ন্ত্রণ করে। |
| Dove Dermacare Scalp | খুশকি দূর করার সাথে সাথে শুষ্ক ও রুক্ষ চুলকে ময়েশ্চারাইজ করতে। | খুশকি দূর করার পাশাপাশি চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগায় ও আর্দ্রতা ধরে রাখে, ফলে চুল শুষ্ক না হয়ে নরম থাকে। |
ভালো শ্যাম্পু কিনলেও ব্যবহারের নিয়ম ঠিক না হলে ফল কম পাওয়া যায়। সাধারণভাবে এই নিয়মগুলো মেনে চলা যায়:
আগে চুল ভিজিয়ে নিন। তারপর পরিমাণমতো শ্যাম্পু হাতে নিয়ে শুধু স্ক্যাল্পে লাগান। চুলের দৈর্ঘ্যে ঘষার দরকার নেই।
আঙুলের ডগা দিয়ে আলতো করে মালিশ করুন। নখ দিয়ে ঘষলে স্ক্যাল্পে আঘাত লাগে, যা জ্বালা ও ফ্লেকিং বাড়াতে পারে।
কয়েক মিনিট রেখে দিন। বেশিরভাগ অ্যান্টি-ড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পু স্ক্যাল্পে ৩ থেকে ৫ মিনিট রাখতে বলা হয়। তাড়াতাড়ি ধুয়ে ফেললে উপাদান কাজ করার সময় পায় না। তবে পণ্যভেদে সময় আলাদা হতে পারে, তাই লেবেলের নির্দেশনা দেখে নিন।
ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। স্ক্যাল্পে শ্যাম্পুর অবশিষ্টাংশ থেকে গেলে চুলকানি ও ফ্লেক বাড়তে পারে।
নিয়মিত ব্যবহার করুন। ফল পেতে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ লাগে। এক-দুবার ব্যবহার করে ফল না পেলে ছেড়ে দেবেন না। আবার ব্যবহারের ফ্রিকোয়েন্সি, অর্থাৎ সপ্তাহে কয়বার লাগাবেন, তা পণ্যের লেবেল বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঠিক করুন।
ঘন ঘন শ্যাম্পু বদলাবেন না। একটা শ্যাম্পু অন্তত ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ ব্যবহার করে ফল দেখুন।
আশা করি, এই বিস্তারিত তথ্য ও নির্দেশিকাগুলো আপনাকে শীতকালীন খুশকির সমস্যা থেকে মুক্ত হয়ে একটি সুস্থ ও সতেজ স্ক্যাল্প পেতে পুরোপুরি সাহায্য করবে।
না, খুশকি একেবারেই ছোঁয়াচে নয়। এটি মাথার ত্বকের স্বাভাবিক ফাঙ্গাস, তেলের নিঃসরণ এবং ত্বকের সংবেদনশীলতার কারণে ঘটে। তাই অন্যের চিরুনি বা তোয়ালে ব্যবহার করলে খুশকি ছড়ায় না।
না, খুশকি থাকলে স্ক্যাল্পে বাড়তি তেল দেওয়া একদম উচিত নয়। খুশকির কারণ Malassezia ফাঙ্গাস মূলত স্ক্যাল্পের তেল খেয়ে বেঁচে থাকে ও বংশবৃদ্ধি করে। তেল দিলে খুশকি আরও বাড়ে।
খুশকি সরাসরি চুল ফেলার কারণ নয়। তবে খুশকির কারণে তীব্র চুলকানি হলে বারবার চুলকানোর ফলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে সাময়িকভাবে চুল পড়তে পারে। খুশকি কমলে চুল পড়াও বন্ধ হয়ে যায়।
খুশকি স্থায়ীভাবে নির্মূল করা কঠিন, কারণ এটি স্ক্যাল্পের স্বাভাবিক ফাঙ্গাস ও হরমোনের ওপর নির্ভর করে। তবে সঠিক শ্যাম্পু ও জীবনযাত্রার মাধ্যমে এটি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
শুষ্ক স্ক্যাল্পের ফ্লেক হয় ছোট, সাদা ও শুষ্ক। অন্যদিকে ফাঙ্গাল বা সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের খুশকি হয় বড়, হলদেটে, তেলতেলে এবং এর সাথে স্ক্যাল্পে চুলকানি বা লালচে ভাব থাকে।
মেডিকেটেড শ্যাম্পু (যেমন কেটোকোনাজল বা সেলেনিয়াম সালফাইড) প্রতিদিন ব্যবহার করা উচিত নয়; এতে স্ক্যাল্প অতিরিক্ত শুষ্ক হয়। এগুলো সপ্তাহে ২ দিন এবং সাধারণ মাইল্ড শ্যাম্পু প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা ভালো।
হ্যাঁ, অতিরিক্ত গরম পানি স্ক্যাল্পের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা কেড়ে নিয়ে স্ক্যাল্পকে শুষ্ক ও ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে স্ক্যাল্পে শুষ্ক ফ্লেকিং এবং চুলকানি বেড়ে যায়। হালকা কুসুম গরম পানি বা ঠান্ডা পানি ব্যবহার করা নিরাপদ।
সরাসরি লেবুর রস বা ভিনেগার স্ক্যাল্পে লাগালে এর উচ্চ এসিডের কারণে স্ক্যাল্প পুড়ে যেতে পারে বা ত্বকে মারাত্মক জ্বালাপোড়া ও ইরিটেশন হতে পারে। এগুলো সরাসরি ব্যবহার না করাই ভালো।
সাধারণ শ্যাম্পু ম্যাসাজ করে সাথে সাথে ধুয়ে ফেলা যায়। তবে অ্যান্টি-ড্যান্ড্রাফ বা মেডিকেটেড শ্যাম্পু স্ক্যাল্পে মেখে অন্তত ৩ থেকে ৫ মিনিট অপেক্ষা করা উচিত, যেন উপাদানগুলো ফাঙ্গাসের ওপর কাজ করতে পারে।
না, কন্ডিশনার সবসময় শুধু চুলের দৈর্ঘ্য ও নিচের অংশে লাগানো উচিত। স্ক্যাল্পে কন্ডিশনার লাগালে ছিদ্র বন্ধ হয়ে স্ক্যাল্প তেলতেলে হয়ে যায় এবং খুশকির উপদ্রব বাড়ে
হ্যাঁ, ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ বেঁধে রাখলে স্ক্যাল্পে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ তৈরি হয়। এই আর্দ্রতা ও গরমে ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া খুব দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে খুশকি বাড়িয়ে দেয়।
হ্যাঁ, অতিরিক্ত মিষ্টি, প্রসেসড খাবার ও ভাজাপোড়া খেলে শরীরে প্রদাহ এবং স্ক্যাল্পে তেলের নিঃসরণ বাড়ে, যা খুশকি উসকে দেয়। জিংক, বি-ভিটামিন ও অমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার খুশকি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
খুশকির সমস্যা থাকলে সপ্তাহে অন্তত একবার অ্যান্টি-সেপ্টিক সাবান বা গরম পানি দিয়ে চিরুনি ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া উচিত, যাতে জমে থাকা মরা চামড়া ও তেল পরিষ্কার হয়।
হ্যাঁ, যদি আপনার স্ক্যাল্প ফাঙ্গাসের প্রতি সংবেদনশীল হয়, তবে শ্যাম্পু পুরোপুরি বন্ধ করে দিলে কিছুদিন পর খুশকি ফিরে আসতে পারে। তাই খুশকি কমলেও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সপ্তাহে অন্তত ১ দিন এটি ব্যবহার করা উচিত।
দীর্ঘক্ষণ টাইট হেলমেট বা ক্যাপ পরলে স্ক্যাল্পে ঘাম ও তেল জমে ফাঙ্গাসের বংশবৃদ্ধি ঘটে। তাই ক্যাপ/হেলমেট নিয়মিত পরিষ্কার রাখা এবং স্ক্যাল্প শুষ্ক রাখা জরুরি।
না, শিশুদের স্ক্যাল্প খুব সংবেদনশীল হয়। বড়দের মেডিকেটেড শ্যাম্পু তাদের ত্বকে ইরিটেশন তৈরি করতে পারে। শিশুদের খুশকির জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ বা চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
মেহেদি বা নিম পাতার প্যাক অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল হওয়ায় সাময়িকভাবে তেল কমায় ও আরাম দেয়। তবে তীব্র বা সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের খুশকি পুরোপুরি দূর করতে মেডিকেটেড কেমিক্যাল এক্টিভসেরই প্রয়োজন হয়।
হ্যাঁ, অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে শরীরে কর্টিসল হরমোন বাড়ে, যা ইমিউন সিস্টেম দুর্বল করে এবং স্ক্যাল্পে তেলের নিঃসরণ বাড়িয়ে খুশকির প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়।
যদি শ্যাম্পু ব্যবহারের ২-৩ সপ্তাহ পরও খুশকি না কমে, স্ক্যাল্প অতিরিক্ত লাল হয়ে ফুলে যায়, চামড়া উঠে ক্ষত তৈরি হয় বা অসহ্য চুলকানি ও র্যাশ দেখা দেয়, তবে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের (Dermatologist) পরামর্শ নেওয়া উচিত।