তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কোন ময়েশ্চারাইজার ভালো? দেখুন সেরা ১০টি ময়েশ্চারাইজার
August 3, 2026
August 3, 2026
মুখ ধোয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই কপাল ও নাক চকচক করতে শুরু করে। গরমে বা বাইরে বের হলে তেলতেলে ভাব আরও বেড়ে যায়। এমন অবস্থায় অনেকেই ময়েশ্চারাইজার এড়িয়ে চলেন। ধারনা করেন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে মুখ আরও তেলতেলে হবে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। ত্বকে অতিরিক্ত তেল থাকা মানেই ত্বকে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা আছে বিষয়টি তা নয়। বরং ময়শ্চারাইজার এড়িয়ে চললে আপনার ত্বক ভেতর থেকে পানিশূন্য, টানটান বা সংবেদনশীল হয়ে উঠতে পারে।
তাই তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে ময়শ্চারাইজার বাদ দেওয়া যাবে না, বরং সঠিক ময়শ্চারাইজার বেছে নেওয়াটাই বেশি জরুরি। প্রশ্ন হলো, তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কোন ময়েশ্চারাইজার ভালো? আর ময়েশ্চারাইজার কেনার সময় কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি? চলুন, জেনে নেওয়া যাক।
তৈলাক্ত ত্বকের ময়েশ্চারাইজার কেনার আগে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার বেছে নেওয়াও সহজ নয়। খুব ভারী হলে মুখে চিটচিটে ভাব তৈরি হতে পারে। । আবার এমন কিছু উপাদান থাকে, যা ত্বকের লোমকূপ বন্ধ করে দিয়ে ব্রণ বা অন্যান্য জটিল ত্বকের সমস্যার ঝুঁকি বহুলাংশে বাড়িয়ে দেয়। তাই শুধু ‘অয়েল-ফ্রি’ লেখা দেখেই পণ্য কিনে ফেলা যথেষ্ট নয়। চলুন, কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই খেয়াল রাখবেন এবং যে উপাদানগুলো দেখে সচেতন হবেন, তা একনজরে দেখে নেওয়া যাক।
হালকা জেল বা জেল-ক্রিম: জেল জাতীয় বা ওয়াটার-বেসড ময়শ্চারাইজার বেছে নিন। এ ধরনের ময়শ্চারাইজার হালকা হওয়ায় দ্রুত ত্বকে মিশে যায় এবং সাধারণত কোনো চিটচিটে ভাব তৈরি করে না।
রোমকূপ বন্ধ করে না এমন ফর্মুলা: প্যাকেটে ‘নন-কমেডোজেনিক’ (Non-comedogenic) লেখা আছে কি না দেখে নিন। এতে লোমকূপ বন্ধ হওয়ার এবং ব্রণ বা ব্ল্যাকহেডসের ঝুঁকি তুলনামূলক কম থাকে।
আর্দ্রতা ধরে রাখে এমন উপাদান: গ্লিসারিন, স্কোয়ালেন ও হায়ালুরোনিক অ্যাসিড-এর মতো উপাদানগুলো অতিরিক্ত তেল যোগ না করেই ত্বকে চমৎকারভাবে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
তেল ও উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তাকারী: নিয়াসিনামাইড ও স্যালিসিলিক অ্যাসিড ত্বকের সুরক্ষাব্যবস্থা ভালো রাখতে, রোমকূপের গভীরের ময়লা পরিষ্কার রাখতে এবং ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব কম দেখাতে দারুণ কার্যকর।
সুরক্ষা প্রাচীর মেরামতকারী: সিরামাইডস (Ceramides) ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষাবেষ্টনী শক্ত করে, ফলে ত্বক অতিরিক্ত তেল তৈরি করা বন্ধ করে।
সুগন্ধিমুক্ত (Fragrance-Free) ফর্মুলা: সংবেদনশীল বা ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য কৃত্রিম সুগন্ধিমুক্ত ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ ও আরামদায়ক।
সব ভারী উপাদানই সবার জন্য ক্ষতিকর নয়। তবে তৈলাক্ত ও ব্রণপ্রবণ ত্বকে কিছু উপাদান বা ঘন ফর্মুলা অস্বস্তি, অতিরিক্ত চকচকে ভাব বা রোমকূপ বন্ধ হওয়ার সমস্যা তৈরি করতে পারে।
মিনারেল অয়েল ও অতিরিক্ত পেট্রোলিয়াম জেলি: মিনারেল অয়েল ও ভারী মোম ত্বকের ওপর বসে থাকে। পেট্রোলিয়াম জেলি সবার রোমকূপ বন্ধ না করলেও খুব তৈলাক্ত
ক্রিম ফর্মুলা: অত্যন্ত শুষ্ক ত্বকের জন্য তৈরি ক্রিম তৈলাক্ত মুখে ভারী লাগতে পারে। ত্বকে এটি ভারী ও চিটচিটে মনে হতে পারে।
অতিরিক্ত অ্যালকোহলযুক্ত ফর্মুলা: অ্যালকোহল ত্বকে জ্বালা, শুষ্কতা ও টানটান ভাব তৈরি করতে পারে।
আইসোপ্রোপাইল মাইরিস্টেট ও আইসোপ্রোপাইল পামিটেট: কিছু ব্রণপ্রবণ ত্বকে এসব উপাদান রোমকূপ বন্ধ করার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
ল্যানোলিন: এটি ত্বক নরম রাখতে সাহায্য করলেও কারও কারও ত্বকে ভারী লাগতে বা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।
কোনো একটি উপাদানের নাম দেখেই পণ্য বাতিল করা ঠিক নয়। পুরো ফর্মুলা, ময়েশ্চারাইজারের ঘনত্ব এবং ব্যবহারের পর নিজের ত্বকের প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিন।
Neutrogena Hydro Boost Water Gel
এই ময়েশ্চারাইজারটি আপনার ত্বকে দ্রুত আর্দ্রতা যোগ করে মুখকে নরম, সতেজ ও মসৃণ করতে দারুন কাজ করে Neutrogena Hydro Boost Water Gel। সাথে ভারী বা চিটচিটে অনুভূতিও দেয় না। এতে থাকা হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ত্বকে পানিশূন্যতা হ্রাস আর গ্লিসারিন ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রেখে শুষ্ক ও টানটান ভাব কমাতে সাহায্য করে। তাই আপনার তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে নিশ্চিন্তে চোখ বন্ধ করে এটি বেছে নিতে পারেন!
CeraVe Ultra-Light Moisturizing Gel
তৈলাক্ত ত্বকে আর্দ্রতা দিতে গিয়ে মুখে ভারী ও আঠালো ভাব এড়াতে CeraVe Ultra-Light Moisturizing Gel বেশ জনপ্রিয়। এতে থাকা হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ত্বকে পানি ধরে রাখে। সেরামাইড ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষাব্যবস্থা ভালো রাখতে সহায়তা করে এবং নিয়াসিনামাইড ত্বককে শান্ত ও ভারসাম্যপূর্ণ দেখাতে সাহায্য করতে পারে। তৈলাক্ত ত্বকে আরামদায়ক দৈনন্দিন যত্ন চাইলে এটি ভালো একটি পছন্দ।
Simple Hydrating Light Moisturiser
কম ঝামেলায় প্রতিদিন ব্যবহার করা যায়—এমন সাশ্রয়ী ময়শ্চারাইজার খুঁজলে এটি সহজ একটি পছন্দ Simple Hydrating Light Moisturiser। এটি ত্বকে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা যোগ করে শুষ্ক ও টানটান অনুভূতি কমাতে সাহায্য করে। এতে থাকা প্রো-ভিটামিন বি৫ ত্বককে আরাম দিতে এবং ভিটামিন ই ত্বকের সুরক্ষায় সহায়তা করে। সংবেদনশীল বা দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী ময়েশ্চারাইজার চাইলে এটি বিবেচনা করা যেতে পারে।
Pond’s Super Light Gel
কম বাজেটে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়াতে ব্যবহারের জন্য বেশ ভালো একটি ময়েশ্চারাইজার Pond’s Super Light Gel । এর ওয়াটার-বেসড ও অয়েল-ফ্রি ফর্মুলা দ্রুত ত্বকে মিশে যায়। এতে থাকা হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ও ভিটামিন ই মুখে কোনো বাড়তি তেল বা চিটচিটে ভাব না এনেই একটি সতেজ গ্লো দেয়।
Bioderma Sébium Hydra
ব্রণের চিকিৎসায় ত্বক শুষ্ক করে ফেলে এমন পণ্য ব্যবহারের কারণে তৈলাক্ত ত্বক অনেক সময় ড্রাই হয়ে পড়ে। এমন অবস্থায় Bioderma Sébium Hydra অনেক । এতে থাকা গ্লিসারিন টানা ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ত্বককে সতেজ ও আর্দ্র রাখে। আর অ্যালানটয়িন ও এনোক্সোলোন ত্বকের অস্বস্তি ও লালচে ভাব কমাতে সহায়ক।
La Roche-Posay Effaclar Mat
আপনার মুখে যদি দ্রুত তেল জমে অতিরিক্ত চকচকে ভাব দেখা যায় তাহলে La Roche-Posay Effaclar Mat হতে পারে আপনার জন্য সেরা পছন্দ! এটি ত্বককে শুষ্ক না করেই অতিরিক্ত তেল শুষে নেয় এবং মুখকে দীর্ঘক্ষণ ফ্রেশ ও ম্যাট রাখে। এতে থাকা গ্লিসারিন ত্বককে সতেজ ও নরম রাখে। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বকে প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য কিংবা মেকআপের নিচে লাগাতে এটি দারুণ কাজ করে!
আপনার ত্বক ব্রণপ্রবণ কিংবা সহজেই লালচে ও জ্বালাপোড়া করার সমস্যা থাকে, তবে iUNIK Centella Calming Gel Cream বেছে নিন! এর স্বচ্ছ ও হালকা জেল গঠন ত্বকে একদম ভারী লাগে না এবং গরমের দিনেও দারুণ আরাম দেয়। এতে থাকা সেন্টেলা এশিয়াটিকা ও টি ট্রি পাতার জল ত্বককে শান্ত রাখে এবং ব্রণ কমাতে সাহায্য করে। আর নিয়াসিনামাইড ত্বকের ভারসাম্য ঠিক রাখতে কাজ করে। সংবেদনশীল ও তৈলাক্ত ত্বকের হালকা যত্নে এটি চমৎকার একটি কোরিয়ান চয়েস!
COSRX Oil-Free Ultra-Moisturizing Lotion
আপনি ভারী বা চিটচিটে অনুভূতি ছাড়া হালকা লোশন জাতীয় কিছু চান, তবে COSRX Oil-Free Ultra-Moisturizing Lotion বেছে নিন! এতে থাকা ৭০% বার্চ স্যাপ (Birch Sap) ত্বককে গভীর থেকে আর্দ্র ও শান্ত রাখে। এটি একদম হালকা, তেলমুক্ত এবং ত্বকে দ্রুত মিশে গিয়ে মুখ নরম ও মসৃণ রাখে। ব্রণের চিকিৎসা বা কেমিক্যাল পিলিংয়ের কারণে খসখসে হয়ে যাওয়া ত্বকে চমৎকার কাজ করে।
Beauty of Joseon Red Bean Water Gel
তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বকের জন্য অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব ছাড়া হালকা হাইড্রেশন চাইলে Beauty of Joseon Red Bean Water Gel হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ! এতে থাকা ৪৪% লাল শিমের (Red Bean) নির্যাস ত্বকের অতিরিক্ত সিবাম বা তেল শুষে নিতে সাহায্য করে। ৩ ধরনের পেপটাইড (Peptides) ত্বকের কোলাজেন বজায় রেখে এটিকে প্রাণবন্ত ও সতেজ রাখে। এর হালকা ওয়াটার-জেল টেক্সচার মুখে কোনো ভারী অনুভূতি ছাড়াই ত্বককে দীর্ঘক্ষণ আর্দ্র রাখবে।
Plum Green Tea Oil-Free Moisturizer
তৈলাক্ত ও ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য হালকা ময়েশ্চারাইজার খুঁজলে এটি দারুণ একটি পছন্দ Plum Green Tea Oil-Free Moisturizer । এতে থাকা গ্রিন টি অ্যাকনে সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে মুখকে ব্রণমুক্ত ও সতেজ রাখতে কাজ করে। নিয়াসিনামাইড ত্বকের বাড়তি তেলতেলে ভাব সামলায় এবং জেদি ব্রণের দাগ হালকা করতে সাহায্য করে। স্কোয়ালেন মুখে কোনো ভারী ভাব না এনে ত্বককে ভেতর থেকে নরম ও তুলতুলে করে তোলে। সম্পূর্ণ তেলমুক্ত ও ওয়াটার-বেসড হওয়ায় লাগানোর সাথে সাথেই ত্বকে মিশে যায়, তাই লোমকূপ বন্ধ হওয়া বা মুখ চিটচিটে হওয়ার কোনো ভয়ই নেই!
বিশেষ পরামর্শ: সবশেষে মনে রাখতে হবে, তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সবার উপযোগী একটিই ময়েশ্চারাইজার নেই। কারও ত্বকে হালকা জেল ভালো মানায়, আবার কারও প্রয়োজন একটু বেশি আর্দ্রতাদায়ক লোশন। তাই নিজের ত্বকের ধরন বুঝে পণ্য বেছে নিন এবং প্রথমে অল্প করে ব্যবহার করুন।
উত্তর: অবশ্যই! তৈলাক্ত ত্বক মানেই ত্বকে পর্যাপ্ত পানি বা আর্দ্রতা আছে তা নয়। ময়শ্চারাইজার না ব্যবহার করলে ত্বক পানিশূন্য হয়ে পড়ে, যার ফলে ত্বক নিজেকে বাঁচাতে আরও বেশি তেল তৈরি করা শুরু করে।
উত্তর: ওয়াটার-বেসড (Water-based), অয়েল-ফ্রি (Oil-free) এবং হালকা জেল (Gel) বা জেল-ক্রিম টেক্সচারের ময়শ্চারাইজার তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
উত্তর: এর অর্থ হলো প্রোডাক্টটি এমন উপাদান দিয়ে তৈরি যা ত্বকের লোমকূপ বা পোরস বন্ধ করে না। ফলে এটি ব্যবহারে ব্রণ বা হোয়াইটহেডস হওয়ার ঝুঁকি অনেক কমে যায়।
উত্তর: প্রতিদিন অন্তত ২ বার—একবার সকালে মুখ ধোয়ার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে।
উত্তর: না, স্কিপ করা যাবে না। গরমের দিনে হালকা টেক্সচারের কোনো ওয়াটার-জেল বা স্যুট করে এমন অল-ইন-ওয়ান ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করাই ভালো।
উত্তর: প্রোডাক্টটি আপনার ত্বকের জন্য হয়তো বেশি ঘন (Heavy) অথবা এতে ভারী অয়েল/ক্রিম উপাদান রয়েছে। এছাড়া ভেজা ত্বকে সঠিক পরিমাণে না লাগালেও এমনটা হতে পারে।
উত্তর: হায়ালুরোনিক অ্যাসিড (Hyaluronic Acid), নিয়াসিনামাইড (Niacinamide), সেন্টেলা (Centella), টি ট্রাই (Tea Tree), এবং গ্লিসারিন (Glycerin)।
উত্তর: না লাগানোই ভালো। ড্রাই স্কিনের ময়শ্চারাইজারে ল্যানোলিন, মিনারেল অয়েল বা ঘিয়ের মতো ঘন মাখন থাকে, যা তৈলাক্ত ত্বকের লোমকূপ বন্ধ করে তীব্র ব্রণ ঘটাতে পারে।
উত্তর: হ্যাঁ! ময়শ্চারাইজার ত্বককে মসৃণ ও সমতল করে, ফলে ফাউন্ডেশন বা মেকআপ মুখে সুন্দরভাবে বসে এবং অতিরিক্ত তেল এসে মেকআপ নষ্ট করে না।
উত্তর: সিরাম নির্দিষ্ট ত্বকের সমস্যার (যেমন: ব্রণের দাগ বা পোরস) জন্য কাজ করে। তবে ময়শ্চারাইজার আবশ্যক। আপনি চাইলে শুধু ময়শ্চারাইজারও ব্যবহার করতে পারেন।
উত্তর: আপনার সানস্ক্রিনটি যদি হাইড্রেটিং বা ময়শ্চারাইজিং হয়, তবে দিনের বেলা আলাদা ময়শ্চারাইজার না লাগালেও চলবে। তবে রাতে অবশ্যই শুধু ময়শ্চারাইজার লাগাতে হবে।
উত্তর: অ্যালোভেরা জেল ত্বক শান্ত ও আর্দ্র করে ঠিকই, তবে এতে আর্দ্রতা ধরে রাখার মূল উপাদান (Emollients) কম থাকে। তাই ভালো ফলাফলের জন্য প্রপার অয়েল-ফ্রি ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করা ভালো।
উত্তর: ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার ঠিক পরপরই—যখন ত্বক হালকা ভেজা (Damp) থাকে। এতে ত্বকে আর্দ্রতা সবচেয়ে ভালো লক হয়।
উত্তর: সাথে সাথে সেই প্রোডাক্টটি ব্যবহার বন্ধ করুন। হয়তো এতে এমন কোনো উপাদান আছে যা আপনার ত্বকে স্যুট করছে না। প্রোডাক্টটি পাল্টে ক্যালামাইন বা সেন্টেলা যুক্ত কোনো মাইল্ড জেল বেছে নিন।
উত্তর: পুরো মুখে ব্যবহারের আগে থুতনির নিচে বা কানের পেছনে টানা ২-৩ দিন অল্প করে লাগিয়ে প্যাচ টেস্ট (Patch Test) করে নিন। র্যাশ বা চুলকানি না হলে মুখে ব্যবহার করুন।